Untitled Document
মূলপাতা শিরোনাম বটতলা পঞ্জিকা প্রদর্শনী
SURJYA SANGRAM ( SUN RISES EVERYWHERE)
A film By M Abdus Samad. 1979
Film Script Download
চলচ্চিত্র
-মাহবুব আলম

on the commet

অদ্ভুত গল্প নিয়ে ছবি : অন দি কমেট

গত বছর (১৯৭২) কোলকাতায় যখন চেকোশ্লোভাবক চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হোল তখন তাতে দেখান হোল অদ্ভুত মজার এক ছবি কারেল জেমানের ‘অন দি কমেট’। বড়রা অভিভূত হলেন। ছোটরা অবাক। অথচ সে উৎসবে প্রখ্যাত কিছু চেক চলচ্চিত্রও দেখান হয়েছিল। যার কয়েকটি পুরষ্কৃত ছবি এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতি-স্বীকৃত। যেমন জিরি ক্রেজসিকের দু’টি কাহিনী নিয়ে তোলা ছবি ‘ট্রিকস অবস ডিসেপটিভ লাভ’, অলড্রিক লিপস্কির ‘আই কিলড আইনস্টাইন জেন্টলম্যান’, জডনেক পডস্কালস্কীর ‘মেন এ্যাবাউট টাউন’, কারেল কাচিনার কাব্যধর্মী ছবি ‘জাম্পিং ওভার দ্যা পুডলস এগেন’, ভøাদিমির সেকের ‘দি কী’ এবং মার্টিন হোলির ‘দি কপার টাওয়ার।’ কিন্তু ‘অন দি কমেট’ জনপ্রিয়তা পেয়েছে অন্য কারণে। সে কারণটি হচ্ছে এর রূপকথাচিত আচরণ। বর্ণনা-ভঙ্গি। ফ্যানটাসির সঙ্গে রিয়্যালিটির অনিবার্য সংঘর্ষ। এবং সর্বোপরি কালারের ব্যবহার। ভালোলাগার মত করে। এক একটি চিত্রকল্প এক একটি ভিউ কার্ড। চোখে বুকে লেগে থাকে।

ফ্যান্টাসী খ্যাত চেক চিত্র পরিচালক কারেল জেমান এ ছবিটি নির্মাণ করেছেন জুলেভার্নের ‘অন দি কমেট’ অবলম্বনে।

‘অন দি কমেটের’ ঘটনাকাল হচ্ছে ১৮৮৮ সালের কোন একটা সময়। স্থান ফরাসী আলজেরিয়ার যে অংশের মানুষ ভালোয় মন্দোয় মিশিয়ে, তাদের নিয়ে এই অদ্ভুত গল্প। যে মানুষগুলো নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করছে। নিমিষে যুদ্ধ। আবার সন্ধি। প্রেম। ভালবাসা। দেখা গেল সেই মানুষগুলো তাঁদের জীবনের আশ্চর্য একটা সময় কাটাচ্ছে পৃথিবীর বাইরে। অসম্ভব সব বিপর্যয়ের মধ্যে। বিপদের মুখোমুখি। ভীষণ ভীষণ সব মজার ব্যাপারের মধ্যে তারা ছুটে চলেছে পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে- একটা ধূমকেতুর মত- যেখান থেকে তারা পৃথিবীটাকে ঠিক দেখতে পারছে। নিজের মহাদেশটাকে চিহ্নিত করছে, সোল্লাসে। কিন্তু সবচাইতে অদ্ভুত ব্যাপার যেটা তা হচেছ এ অবস্থার মধ্যেও মানুষগুলো এতটুকু বদলায়নি। পৃথিবীতে যেমন ছিল, এখানেও তেমন। ভালোরা ভাল। মন্দরা মন্দ। অর্থাৎ যে যা তা-ই। প্রত্যেকের স্বাভাবিক জীবনের দোষ-গুণ গুলো একই রয়ে গেছে। যুদ্ধ, হিংসা, দুঃখ, আনন্দ, প্রেম, ভালবাসা স-ব। তারপর ধূমকেতু সমেত সেই মানুষগুলো পৃথিবীর নিকটতর হতে থাকে ক্রমশ এবং রূপকথার গল্পটিও ফুরোতে থাকে। কিন্তু নটে গাছটি মুড়োয় না। তারপরও কিছু থেকে যায়।

ছবিটা দেখে তাৎক্ষণিক মজা পাওয়া যায়। এমনকি নেহায়েৎ ছোটদের বলেও উড়িয়ে দেয়া যায়। কিন্তু একটু গভীরে প্রবেশ করলে এর ঘটনা বিন্যাসে যে পরস্পর বিরোধী চরিত্রগুলোর সমাবেশ ঘটেছে তা থেকে অন্তত কিছুটা উপলব্ধি করা যায়। অনুভব করা যায় নিজেকে। নিজেদের পরিবেশ এবং এর পারিপার্শ্বিক।

পূর্বদেশ
নভেম্বর ১৯৭৩
http://www.amazon.com/Comet-VHS-Emil-Horv%C3%A1th/dp/B000005ZSM
 

on the commet

বাইসাইকেল থীভস

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই বিশ্ব-চলচ্চিত্রে ব্যাপক একটা পরিবর্তন ঘটে যায়। পরিবর্তন- চলচ্চিত্রের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের, শিল্পের সঙ্গে সুন্দরের, জীবনবোধের। চলচ্চিত্রের এ চরিত্র বদলে ইতালীর ভূমিকা সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। চল্লিশ দশকের শেষ দিকে ইতালীয় নিও ‘রিয়ালিস্ট’ (নব্য বাস্তববাদী) চলচ্চিত্রকারদের ছবিতে বেশ সুষ্ঠুভাবেই ভীরুতামুক্ত, সাহসিকতাপূর্ণ পরিবর্তনের প্রথম সূচনা ঘটে। পরে এর ঝাপটা এসে লাগে ফরাসী নব-তরঙ্গের নাকে-মুখে। ইতালীর এই ‘নিও-রিয়ালিজম’ (নব্য বাস্তববাদ) চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রবক্তা হিসেবে আমরা পাই ভিক্তরিয়ো ডি সিকা-কে, যার সঙ্গে জাভেত্তিনীর নাম অবশ্য স্মতর্ব্য। আরও দু’জন আছেন, রসোলিনী এবং ভিসকন্তি।

ডি সিকার অমর সৃষ্টি ‘বাইসাইকেল থীভস’ প্রথম যখন মুক্তি পায় (১৯৪৮ সালে) তখন সারা বিশ্বের চলচ্চিত্রের দর্শক বিস্ময়মুগ্ধ ভালোলাগায় চমকে উঠেছিল। বিষয়বস্তুর ঋজুতা এবং আঙ্গিকের সহজ পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ছবিটি নিও-রিয়ালিস্টদের অদম্য সৃষ্টি মানসিকতাকে প্রকট করে তোলে। লন্ডনের বিখ্যাত চিত্র সমালোচক পার্কার টেইলর ছবিটি সম্পর্কে লিখলেন- “.......‘বাইসাইকেল থীভস’ সাধারণ মানুষের অস্তিত্বের ছবি- সুস্থ বুদ্ধি এবং সংস্কৃতিবোধ সম্পন্ন জীবন সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণীর বিজয়ের ছবি- যারা সংঘটিত অভিজ্ঞতা থেকে স্বাভাবিক ভালোমন্দের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং নিজেদের সংশোধন করে, কোন রকম প্রাতিষ্ঠানিক বিচারবুদ্ধির আশ্রয় ছাড়াই। আজকের বিশ্বের চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব সত্যজিৎ রায় তখনও দ্বিধান্বিত তাঁর প্রথম সৃষ্টি ‘পথের পাঁচালী’ কে নিয়ে। কিন্তু ১৯৫০ সালে ডি সিকার ‘বাইসাইকেল থীভস’ দেখার পর তিনি সমস্ত ভয়-দ্বিধা ‘কি হবে না হবে’র সংশয় আঁচড়ে সাহসের সিঁড়ি ভেঙ্গে এগুলেন- লক্ষ্যের সূচীশীর্ষে।

বাইসাইকেল থীভস- এর কাহিনী জীবন ধারণের সহজ সত্যময়তা। গ্লানিময়তা থেকে সুখময় কল্পনার নিরুদ্দম বিচরণ। যেখানে চলচ্চিত্রকার ডি সিকার ক্যামেরার সূক্ষè দৃষ্টি এবং চিত্রনাট্যকার জাভেত্তিনীর মনোগত দৃষ্টি এ দুয়ে মিলে প্রতিমুহূর্তে সাধারণ মানুষের দিন যাপনের কর্মময়তাকে চিত্রায়িত করেছে- বাস্তবোচিত সুখ দুঃখের আলোকায়নে। মিথ্যা-ভাবালুতার পাপাচার যেখানে নিরুদ্দিষ্ট।

যুদ্ধপূর্ব সময়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাহিনীর বিস্তার। একজন শ্রমিক। সে অনেক চেষ্টায় একটি চাকুরী পেয়ে যায়। যে জন্য তাঁকে সংসারের আপাত অপ্রয়োজনীয় প্রায় সব ক’টি আসবাব বন্ধক রেখে একটি সাইকেল ক্রয় করতে হয়। কেননা তাঁর চাকুরীর জন্য ঐ সাইকেলটি একান্ত প্রয়োজন ছিল এবং প্রয়োজন ছিল বাঁচবার।
রোমের দেয়ালে সরকারী পোস্টার লাগিয়ে শ্রমিকটি তার বেঁচে থাকার শ্লোগানে উচ্চকিত হয়ে ওঠে। কিন্তু অকস্মাৎ একদিন তাঁর সেই বেঁচে থাকার একমাত্র অনুষঙ্গ সাইকেলটি চুরি হয়ে যায়। এখনই খুঁজতে বেরিয়ে পড়ো এবং এখন না পেলে আর কখনোই পাওয়া যাবে না- বৃদ্ধার এমন বিশ্বাসী বাক্যোপদেশে সে উন্মাদের মত তাঁর জীবনধারণের একমাত্র সম্বলকে খুঁজে ফেরে- বেঁচে থাকার উপকরণ। যেন সে তাঁর খুইয়ে যাওয়া চাকুরীটিই খুঁজছে। সে ভেবে পায়না একজন মানুষের বেঁচে থাকার ‘সততা’ কি করে চুরি হতে পারে। এই প্রথম তাঁর জীবনবোধের দোলকে মূল্যবোধের অসহায়তা দোল খায়, বিশ্বাসের প্রচ্ছদে মলিন দাগ পড়ে। সহৃদয় এক ভদ্রলোকের সহায়তায় শ্রমিকটি একটি পুরনো দোকানে যায়, সেখানে সাধারণত চোরাই সাইকেল ইত্যাদির পার্টস কেনা-বেচা হয়ে থাকে। শ্রমিকটি, তার শিশু সন্তানটি, সবাই চুরি যাওয়া নিজেদের সাইকেলটির যে যে পার্টস চেনে (অর্থাৎ কোন কোন নির্দিষ্ট চিহ্ন মনে রেখে সনাক্ত করা) সেইভাবে মনোযোগী খোঁজা খোঁজে। কিন্তু ফলোদয় হয় না তাতে।

অবশেষে এমন এক অবিশ্বাস্য মুহূর্ত আসে যখন শ্রমিকটি চরম এক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। সততার সুশৃংখল নামতা যখন বিপন্ন।

স্টেডিয়ামে খেলা হচ্ছে। ভেতরে উত্তেজিত ধ্বনিমুখর জনতা। বাইরের সাইকেল স্ট্যান্ডে অসংখ্য সাইকেল। নতুন, পুরনো, অসংখ্য রকমের। শ্রমিকটির আশংকিত চোখ সবগুলো সাইকেলের হ্যান্ডেল, বেল, চাকা, প্যাডেল, চেন, মাডগার্ডকে ছুঁয়ে যায়। সেদিনও সে বেরিয়েছিল তার চুরি যাওয়া সাইকেলটি খুঁজতে। সঙ্গে ছিল ছোট ছেলেটি। তার হঠাৎ নেয়া সিদ্ধান্তটিকে মনে মনে চূড়ান্ত করে সে ছেলেটিকে বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে দেয় বাড়ী ফিরে যাবার জন্য। কেননা সে চায় না এমন একটা অসুন্দর ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাক তাঁর ছেলে কিংবা বাবার এ অপরাধ কর্মের কোন রকম প্রতিক্রিয়া অংকিত হোক ওর কোমলমতি শিশু মনে।

কিন্তু সাইকেলটি চুরি করার মুহূর্তে অনভ্যাসজাত অসতর্কতায় সে ধরা পড়ে যায়। সাইকেলের মালিক আশে-পাশে কোথাও ছিল হয়তো। সে এবং ততোক্ষণে আরও কিছু ভীষণ ক্রুব্ধ জনতা তাঁকে ধরে ফেলে। মারধর করে। প্রকাশ্যে একজন অন্যায়কারীকে পেয়ে সবাই নিজেদের সৎ প্রমাণে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

মারধর করার পর শ্রমিকটিকে সম্ভবত আইনাশ্রয়ী জেল-পুলিশের হাতে তুলে দেয় হোত। কিন্তু তার পূর্বেই একটি শ্বাসরুদ্ধকর অভাবিত ঘটনা ঘটে যায়। শ্রমিকের সেই ছেলেটি যাবে তার বাবা বাসষ্ট্যান্ডে পৌঁছে দিয়ে এসেছিল বাড়ী ফিরে যাবার জন্য, সে কিন্তু বাড়ী ফিরে যায়নি- ফিরে এসেছিল চিন্তান্বিত বাবার পিছু পিছু। নির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়িয়ে সবই লক্ষ্য করছিল। হঠাৎ যখন দেখল যে অনেকগুলো লোক তাঁর বাবাকে ধরে মারছে তখন সে প্রানপণ দৌঁড়ে এর-ওর পা-বগলের ভেতর দিয়ে গলিয়ে সাইকেলের মালিকের সম্মুখে এসে দাঁড়ায়। ভয়ার্ত দৃষ্টিতে কান্নায় গলা বুঁজে আসা কাঁপা কাঁপা শব্দে ভীষণ কাকুতি-মিনতিতে ওর বাবাকে ছেড়ে দেবার অনুরোধ জানায়। এবং আশ্চর্য, সাইকেলওয়ালা এক মুহূর্ত কি ভেবে ছেলেটির টলোমলো অশ্রুপাত অনুনয়ে ওর বাবাকে ছেড়ে দেয়। বাবা এবং ছেলে একে অপরের দিকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে কিছুক্ষণ। ততক্ষণে স্টেডিয়ামের খেলা ভেঙ্গে গেছে। রাস্তায় গিজ গিজ করছে লোক, ঘরমুখো উল্লাসী দর্শক। সবার ভিড়ের সাথে মিশে যায় শ্রমিকটি এবং তার ছেলে। শ্রমিকটির কর্মঠ হাত তখন শক্ত করে চেপে আছে তাঁর আগামী বংশধরের প্রত্যয়ী হাত।

‘বাইসাইকেল থীভস’ অবশ্যই একটি ভাবাবেগপূর্ণ ছবি, যে কারণ চলচ্চিত্রকার চিত্রনাট্যকার অর্থনৈতিক পরিসীমাকে আঘাত করার চাইতে ক্ষুদে ছেলেটির অসহায়ত্বকে তুলে ধরাটা সমীচীন মনে করেছেন এবং তাই অর্থনৈতিক সমস্যা এবং ছেলেটির অসহায়ত্ব ছবিতে সমান্তরাল। সম্পূর্ণতায় তাই শিশুটির চাইতে চুরি যাওয়া সাইকেলটি ভাবনাতাড়িত হয়, যেটা দর্শক অনুভব করতে পারে এবং চীৎকৃত শহরে শ্রমিকটির একাকীত্বের ভাবনায় শহর নিজেকেই বিষণœ মনে করে। এটা আরও স্পষ্ট করে বলা হয় যখন ক্যামেরার মগ্ন দৃষ্টি ছেলেটার ভীত চোখে আপতিত হয়। যেমন ডি সিকার আর একটি স্মরণীয় ছবি ‘উমবেরত ডি’র সেই আতংকিত বৃদ্ধ লোকটির অভিজ্ঞতার সঙ্গে দর্শকের অনিবার্য ঘনিষ্ঠতা।

মূলত ‘বাইসাইকেল থীভস’ ই প্রথম নব্য বাস্তববাদ চলচ্চিত্রকে অলঙ্ঘিত একটি ধাপ অতিক্রমণে প্রয়োজনীয় সহায়তা করে। যার কারণ কেবল অভিনেতা অভিনেত্রী, বাস্তব দৃশ্যপট এবং সম্ভাব্য সব সমস্যাকে (যেমন চুরি যাওয়া সাইকেল খোঁজার দৃশ্যটি আমাদের জীবিকার সন্ধানকে বোঝায়) আলোকিত করার জন্য নয়, বরঞ্চ চলচ্চিত্র নির্মাণে সরাসরি সমাজের বক্তব্যকে তুলে ধরার জন্য। যা অক্ষুণœ ছিল ডি সিকার পূর্ববর্তী ছবি ‘শুশাইন’ এবং পরবর্তী ছবি ‘উমবেরতো ডি’তে।

‘বাইসাইকেল থীভস’ সম্মানিত হয়েছে বহুবার। ১৯৫২ সালে ‘সাইট এন্ড সাউন্ড’ আয়োজিত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সমালোচকদের বিচারে ছবিটি পৃথিবীর শ্র্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বলে বিবেচিত হয়েছিল। এবং নিউইয়র্কের আন্তর্জাতিক চিত্র সমালোচক চক্রের রায়েও এটি পৃথিবীর শেষ্ঠ ১০টি চলচ্চিত্রের অন্যতম।

আজকেও যখন বিশ্ব চলচ্চিত্রের বিভিন্ন পর্যায়, সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন, পরীক্ষা-নিরীক্ষায় পরিপাট্য নব্য বাস্তববাদ, নব তরঙ্গ এবং আভা গার্দ ইত্যাদির প্রসঙ্গ আলোচনার সম্মুখীন হবে এবং পরবর্তী চলচ্চিত্রকাররা সৃষ্টির উন্মাদনায় মেতে উঠবেন, তখনও ডি সিকার ‘বাইসাইকেল থীভস’- এর সেই দুদ্ধর্ষ শেষ দৃশ্যটির চিত্রকল্প অনিবার্য হয়ে উঠবে- যেখানে চলচ্চিত্র মানে কেবল মৃদু আঁধারী প্রকোষ্ঠে নির্ধারিত ক’টি মানুষের মধ্যে প্রমোদ বিতরণ নয়, শিল্পের নামে পাপাচার নয়, চলচ্চিত্র মানে জীবন, জীবন থেকে জীবনের সঙ্গে মিশে যাওয়া- যেখানে সমাজ, সমাজবোধ, মূল্যবোধ, মানুষের সভ্যতার ক্রমভঙ্গুরতা এবং অবক্ষয় থেকে উত্তরণ।

পূর্বদেশ
নভেম্বর ১৯৭৪
http://www.youtube.com/watch?v=SLQuSJGzR3Y
http://www.youtube.com/watch?v=WmWQZg6271A

Untitled Document
Total Visitor : 708289
সাপলুডু মূলপাতা | মতামত Contact : shapludu@gmail.com
Copyright © Life Bangladesh Developed and Maintained By : Life Yard