Untitled Document
মূলপাতা শিরোনাম বটতলা পঞ্জিকা প্রদর্শনী

Download These Files
সাক্ষাৎকার : প্রতুল মুখোপাধ্যায়


গত মার্চ মাসে প্রতুল মুখোপাধ্যায় ঘুরে গেলেন বাংলাদেশ। কয়েক দিনের টানা ব্যস্ত সময় পার করার মধ্য দিয়ে গণমানুষের সংগ্রামী এই গায়ক বাংলাদেশের মানুষের সামনে তুলে ধরলেন গণ সংগীতের ভিন্ন এক দুয়ার। সংগ্রাম, নিবেদন, ভক্তি, ভালবাসা তার গানে এক বিন্দুতে এসে আন্দোলিত হয়। তিনি গান করেন পুরো শরীরে। কোনরকম যন্ত্রানুষঙ্গ ছাড়া শুধু তুড়ি আর হাততালি দিয়ে তিনি তৈরি করেছেন তার নিজস্ব ঘরানার গায়কী। জনগণ তার কাছে ভগবান। তাই গণমানুষের মুক্তির মিছিলে তার দ্বিধাহীন অকপট অবস্থান। সেক্ষেত্রে মতান্ধ পার্টি রাজনীতিরও তিনি সাহসী সমালোচক। শাহাবাগের ‘গণ সংস্কৃতি কেন্দ্র’- এ ঢাকার সংস্কৃতি কর্মীদের সাথে হৃদ্যতাপূর্ণ আলাপচারিতায় তিনি রাজনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি নানা দিক নিয়ে কথা বলেছিলেন। তার সে কথোপকথনের কিছু নির্বাচিত অংশ সাপলুডুর পাঠকদের জন্য লিখিত আকারে প্রকাশ করা হলো। সে সময়ে তিনি আমাদেরকে লালগড় ছড়াও দিয়েছিলেন। সেটিও এখানে প্রকাশ করা হলো।

কিছু কথা
আমাদের দেশে এখন যে শাসকেরা আছে (কেন্দ্রের শাসক) তাদের মুখে একটা কথা শুনতে পাই- এখন যা চলছে তা হলো মার্কেট ইকোনমি। তার সঙ্গে একটি জিনিষ আমি যোগ করবো ইনক্লুসিভ, কাকে ইনক্লুড করছি। ধরা যাক যে ইকোনমিটা চলছে সেটি শতকরা ১২ জনের; সেক্ষেত্রে শতকরা ৮৮ জনকে ইনক্লুড করা। আমি এক্ষেত্রে, এরকমই হাস্যকর একটি বিষকে দেখতে পাই। কিসের ইনক্লুসিভ? ৫ পার্সেন্ট বলছে ৯৫ পার্সেন্টকে ইনক্লুড করার কথা। আসলে ইকোনমিটা হবার কথা ঐ ৯৫ জনের, দরকার হলে ৫ জনকে ইনক্লুড করা যায়। কিন্তু তা নয়। এটা চলে ৫ জনের স্বার্থে। এবার বলা হচ্ছে ৯৫ জনের জন্য কিছু করার দরকার। নানারকম দয়া-দাক্ষিণ্য ইত্যাদি ইত্যাদি ছড়িয়ে ছিটিয়ে...। সবচেয়ে বেশি হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্রে। যুদ্ধ করার জন্য নয়, যুদ্ধ উপকরণ কিনবার জন্য। যাতে করে এ সমস্ত রাঘব বোয়াল দেশগুলোর ইকোনমিটা ভাল করে চলে। সেজন্যই সীমান্তে যাতে অসন্তোষ চলে তার ব্যবস্থা-ট্যবস্থা করা হয়েছে।

তারপর আসে শিক্ষা। প্রথমেই ইউনিভার্সিটি। বিদেশি যে সমস্ত শিক্ষা ব্যবসায়ী আছে তারা যাতে এখানে করে খেতে পারে সেজন্যে একেবারে মডার্ন ইউনিভার্সিটি করার পক্ষে আমি! শুধু প্রাথমিক শিক্ষাটা না হয় আপাতত থাক! কিন্তু প্রথম থেকেই বিশাল বিশাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করতে হবে যেখানে ব্যবসাটা ভাল হয়।

.. ..সেই টাকাগুলো যাদের ইনক্লুড করার কথা বলা হচ্ছে, তাদের কাছে যায় না। বিভিন্ন রাজ্য সরকার- তা তাদের গায়ে লাল জামায় থাক, গেরুয়া জামায় থাক আর তেরঙ্গা জামায় থাক; যাদের ইনক্লুড করা হবে বলা হয় তাদের হাতে তা পৌঁছয় না।

....চিন্তাগুলো আগে ছিল আমলাস্তরে, এখন পার্টিস্তরে। পার্টি, যে পার্টির কথা ভেবে, যাদের স্বপ্ন দেখে, যে স্বপ্ন দেখে আমরা ছোট থেকে বড় হলাম তারাও এখন এভাবেই চিন্তা করে।

যে ব্যাপারটা আমাদের সবচেয়ে বেশি পীড়িত করছে (হু, পীড়িত করার কিছু নেই) একটা জায়গা যদি দখল করতে হয়, সে জায়গাকে দখল করে একটা অর্থনীতি যদি দখল করতে হয়, তাহলে সবচেয়ে প্রথমেই যেটা দখল করতে হবে সেটা হলো সাংস্কৃতিক দখল। মানে মানুষের মগজ দখল। এইযে মানুষের মগজ দখলের কাজটা বিশেষ করে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি এত পেশাদারিত্বের সাথে করছে। টাকাতো ঢালছেই, তার সাথে এত সুন্দর পেশাদারিত্বের সাথে করছে, তাতে করে এর ভিতর থাকতে পেরে যারা এই পরিবেশে শিক্ষিত হয়েছে তারা ভাবছে আমরা একটা কিছু এ্যাচিভ করলাম। একটা লক্ষ্যে উপনীত হলাম। এখন তারা যেটা শুরু করেছে আমেরিকার আইডলের মডেলে সবজায়গায় সাংস্কৃতিক পণ্যায়ন। গান গাও, টাকা নাও। মন বা মগজ দখল করা সবচেয়ে বড় কাজ। সেটা হয়ে গেলে তো আর সব কাজ স্বাচ্ছন্দ্যে হয়ে যায়। সমস্ত কিছুতেই সমর্থন পাওয়া যায়।

তাদের হাতে অনেক টাকা। মানে তারা অনেক খেতে পারে। তাদের জন্য নানারকম রেস্তোরা তৈরি হচ্ছে। সেটা তারা এমনভাবে তৈরি করছে যে এক আধবার তারা একটুখানি চা খাবে তাতেই ৫০০ টাকা বিল হয়ে গেছে। সেটা অন্যদের কাছে বলতেও ভাল লাগে। .. এদের যখন আবার চাকরি টাকরি চলে যায় সে যে কি দীর্ঘশ্বাস পড়ে “আহা হা, কী হবে?” কিন্তু ভারত যে মানে অনিচ্ছাকৃত অনশনের ব্যাপারে সারাবিশ্বে একটা অগ্রণী দেশ; তো সেটা চাপা পড়ে যায়। এরা ৫০০ টাকা করে চা খেত সেই চাকরিটা চলে গেল কী দুঃখের ব্যাপার! এইযে মানসিকতা বদলে গেছে এখন ....

আমরা যারা সাংস্কৃতিক কর্মী আছি এইযে একচেটিয়া সাংস্কৃতিক আগ্রাসন তার বিরুদ্ধে আমরা লড়বো। পাঁচজন হলেও যাব না বলার জন্য। আর একটা ব্যাপার যেটা আপনারা ঠিকভাবেই করছেন- সাংস্কৃতিক আবহের যে বিকার সেটাকে রোধ করা এবং জনমুখী- মানবদরদী যে সংস্কৃতি সে সংস্কৃতির বিকাশ সাধন করা; যাতে করে একটা শিশু যখন সে পড়ছে তখন সে যেন জানতে পারে যে, তার বাবা মার কিছু পয়সা আছে বলেই সে পড়তে পারছে। এমন অনেকেই আছে যাদের পড়বার মতো সঙ্গতি নেই। এটা একটা সুন্দর মানবিক পদক্ষেপ।

আমি একটু ভিন্নভাবে বলতে চাই- সবচেয়ে বড় যে বাধা সেটা হলো অস্পৃশ্যতা। আমাদের মধ্যে বিশেষ করে বামপন্থীদের মধ্যে বোধহয় সবচেয়ে বড় রোগ হলো অস্পৃশ্যতা। অস্পৃশ্যতা মানেই হচ্ছে- “এর সঙ্গে কী করো? ওতো এই করে। ওতো তৃণ করে। ওর সঙ্গে ওসব করা যাবে না। ওর সঙ্গে কী করে? ওতো মাওবাদী। ওর সঙ্গে ওসব করা যাবে না। মাওবাদী লিটারেচার টিচারেচার ... না না না। ওতো লক্ষীপূজা করে ওর সঙ্গে কী কথা?” তারমানে কেউ ঈশ্বরবাদী, কেউ মাওবাদী, কারো বাপ সিপিএম তাই তাদের সাথে কথা বলা যাবে না। এমনি করে করে দেখা যাবে যে, কথা বলা যায় এমন লোকের সংখ্যা হলো ৬। ৬ জনে চৌবাচ্চা একটা তৈরি হলো। চৌবাচ্চার ভিতরে ৬ জন হাপুশ হুপুশ করো।

বিকল্প সংস্কৃতি হতে হবে একই সঙ্গে পুষ্টিকর ও তুষ্টিকর। কারণ যে বিকল্প সংস্কৃতি হবে সেটা যদি শুধু চোখ রাঙানো সংস্কৃতি হয় যে ‘এটা করো নইলে তোমার স্বাস্থ্য হবে না’। এরকম করে কিন্তু কোন মানুষকে সংস্কৃতির দিকে টানা যায় না। তার মানে হচ্ছে কোন কাজ যদি পলিটিক্যাল হয়, সেটাকে হতে হবে ১০০ পার্সেন্ট পলিটিক্যাল। আর সেটা যদি সংস্কৃতি হয় তাহলে ১০০ ভাগ সংস্কৃতি হতে হবে। অর্থাৎ সংস্কৃতির নিরিখে সেটাকে উৎরে যেতে হবে। যেমন একটা গান। রাজনীতি তাতে থাকতেই পারে, তার মধ্যে কিছু কথা- বার্তা মেসেজ অবশ্যই থাকতেই পারে; কিন্তু সেটা যেন ১০০ ভাগ গান হয়, তা দেখতে হবে।

এমন একটা সংস্কৃতি আমরা চাই যেখানে মানুষ নিজে ইচ্ছা করে সেখানে আসে। জোর করে, চোখ রাঙিয়ে, গ্রিপ চালিয়ে কোন সংস্কৃতি তৈরি করা যায় না। ওরাতো বলতে গেলে টোপ ফেলছে। টোপ ফেলে আটকাচ্ছে। আমরাতো আর টোপ ফেলতে পারবো না। তাহলে কী করতে হবে? সেটা হলো আন্তরিকতা। মানে মানুষকে ভালবাসা। ভালবাসা একটা বিশাল অস্ত্র। সেটা কিন্তু আমি খুব ভালভাবেই লক্ষ্য করেছি। বাংলাদেশে এসেও তা দেখতে পেয়েছি।

এখন হচ্ছে অপারেশন পুশব্যাক। এমন একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করা যাদে আদিবাসী জনগণ তাদের জঙ্গল ছেড়ে অন্য জায়গায় পালিয়ে যায়। যেই পালিয়ে যাবে, সেই সমস্ত কিছু কর্পোরেট জায়ান্টদের হাতে চলে যাবে। বরং, আপনারা জানবেন ঐ জমিগুলো ফিউচারস ট্রেডিংস-এ কেনা হয়ে গেছে। তারা হয়তো ২০৫০ সালে জমি পাবেন, তার জন্য পয়সা দিয়ে রেখেছে। এখন খালি ট্রান্সফারের ব্যাপার। মাওবাদী, মাওবাদী নাম করে এই মানুষগুলোকে মারতে মারতে.. ..। তারা ভয় পেয়ে চলে যাবে- সঙ্গে সঙ্গে ওরা দখল করবে।

গণসংগীত একধরনের ভক্তিগীতি। আগে যে ডিভোশনাল সং ভগবানের প্রতি নিবেদিত হতো এখন সে ডিভোশনটা নিবেদিত হচ্ছে ব্যাপক জনসমষ্টির প্রতি। যাদের সন্তোষ দেশের সন্তোষ। যাদের ভালবাসলে দেশপ্রেম হয়। তারা হচ্ছে আমাদের ভগবান। এর মধ্যে স্পিরিচুয়াল ওরকম কিছু ভাববার দরকার নেই। উপাখ্যানের মোড়কে এভাবে বলা। ভগবান আমাদের কেষ্ট-বিষ্টু নয়; জনগনই ভগবান- সর্বশক্তিময়।

সংকলনঃ মনোজ দে 



লালগড়
প্রতুল মুখোপাধ্যায়

মুখে মুখে ছড়া কাটার লৌকিক আঙ্গিকে এই রচনা। এক এক লাইনে লেখা ছড়া, দু’লাইনেও লেখা বা ছাপা যেতে পারে। তাল বাদ্যের সঙ্গে ছড়া উপযুক্ত সুরের ছোঁয়া থাকতে পারে। ছড়াগুলির কোন অংশ কার উক্তি, পাঠক বা শ্রোতাই বুঝে নেবেন। কোথাও কোথাও একই ছড়া প্রথম অংশ একজনের উক্তি, পরের অংশ আর একজনের। একা তো পড়াই যায় প্রয়োজনে বাগ্ভঙ্গি বদল করে, তবে সুযোগ থাকলে, কখনও একার, কখনও সমস্বরের উচ্চারণে উপস্থাপনায় আরও নাটকীয় হতে পারে। - লেখক।

শিল্প শিল্প শিল্প চাই, শিল্প ছাড়া উপায় নাই।
শিল্পের জন্য লাগে ধন, মনে রেখো সর্বক্ষণ।
ধনের জন্য লাগে ধনী, করো ধনীর জয়ধ্বনি।
ধনী যদি কষ্ট পায়, দেশ নষ্ট হয়ে যায়।
ধনবানে রাখলে তুষ্ট, তারাই রাখেন হৃষ্টপুষ্ট।
তাঁরাই আনেন উন্নয়ন, তাঁদের হাতেই এ ভুবন।
দাও তাদের যা যা চাই, বন্দোবস্ত চিরস্থায়ী।

গরিব লাগে ভোটের জন্য, তার ব্যবস্থা আছে অন্য।
গরিব যদি কষ্ট পায়, তাতে কী আর আসে যায়?
নাই ভাত কাপড় থাকার। হবে সবই, সবুর কর।
জল নাই, বিজলি নাই। বললেই হবে? সময় চাই।
শিক্ষা স্বাস্থ্য কিছুই নাই। আছিস বেঁচে, আর কী চাই?
কথায় কথায় অসন্তোষ, এই গরিবের বড় দোষ।

গরিবী দূরের প্রকল্প, সত্যি, না কি সব গল্প?
আমরা সবই করতে চাই, তবে কিনা উপায় নাই।
কত রকমের ফ্যাকড়া যে, ওসব তোরা বুঝবিনে।
অন্নপূর্ণা, অন্তোদয়? ওসব তোদের জন্য নয়।
কোথায় একশ দিনের কাজ? বলব পরে, ব্যস্ত আজ।
কই, ইন্দিরা আবাস কই? মুখ্খুর মুখে ফুটছে খই।
শুনলে সহ্য হয় না আর। বড্ডোই বেড়েছে বাড়।

শালবনিতে উন্নয়ন, ভাদুতলায় বিস্ফোরণ।
ঘটনা দুই নভেম্বর, সেই ঘটনার তিনদিন পর
পুলিশ এ্যাকশন লালগড়।
পঁয়ত্রিশ কিলোমিটার দূর, সেখানেই যত শত্তুর।
পুলিশ সিংহ দলিলপুরে শিকার খোঁজে ঘুরে ঘুরে।
ছোট পেলিয়া কাঁটাপাহাড়ি, গরিব মারতে আমোদ ভারী।
হারিয়েছিলি শাসকদল, বুঝবি এবার পাপের ফল।
চলুক মার, ধর পাকড়, মানুষ নয়, পোকামাকড়।
কিসের মানবাধিকার? মার মার গরিব মার।
বাচ্চা বুড়ো নাইকো ছাড়, মার মার গরিব মার।
কুঁদোর খোঁচা, লাঠির বাড়ি, সবাই পাবে, পুরুষ নারী।

আদিবাসী? জনজাতি? মার হকুমা’র পেটে লাথি।
তেজ কোথা পাস, সব জানি, মাওবাদীদের উসকানি।
পুলিশের এই কর্তব্য, র্মাতব্য আর র্ধতব্য।
কর্তব্য তো করতে হয়, আইনশৃঙ্খলা কারে কয়।
অসভ্যেরা বুঝুক তাই, মনের সুখে কেস ধরাই।
আরে আরে হচ্ছে কী? হাভাতের দল করছে কী?
গাছের গুড়ি রাস্তা জোড়া, রাস্তা রুখে দিচ্ছে ওরা।
ভয়ভাবনা ঘুচিয়ে টাঙ্গি ধরে উঁচিয়ে।
বেজে উঠছে ধামসা মাদল বদলে যাচ্ছে মুখের আদল
করছে ওরা চিৎকার লালগড় জিৎকার।

এ আবার কিরকম যুদ্ধ? শহর হলো অবরুদ্ধ।
জনজীবন বিপর্যস্ত, করতেই হয় হেস্তনেস্ত।
পুলিসে তো কাজ হবে না, আসুক তবে দলের সেনা।
এল নতুন যুগের পাইক, লাল হেলমেট মোটর বাইক।
দেখে আদিবাসীর দাপ, ক্যাডার বলে ‘বাপরে বাপ’।

ভয় দেখিয়ে কাজ হলো না। আচ্ছা, তবে আলোচনা।
আলোচনায় রাজি, তবে শর্ত যা দিই, মানতে হবে।
একটি শর্ত জেনে নাও, সবার কাছে ক্ষমা চাও।
আরও হয় সন্তোষ, যদি কর ওঠবস।
উঠে বসে কমত ভুঁড়ি সরে যেত গাছের গুড়ি।

মানুষ যাতে বাঁচে, সরকার তাই আছে।
আদিবাসীর সম্মান দাও, নইলে সরকার ছেড়ে যাও।
আঘাত দিয়ে চোখ রাঙিয়ে দিলে সবার ভয় ভাঙিয়ে।
ইতিহাসে পাতো কান- হুল, হুল, উলগুলান।
ইতিহাসে পাতো কান- হুল, হুল, উলগুলান।

রচনাকাল ডিসেম্বর ২০০৮
কাছাকাছি অর্থ:
জিৎকার- জয় হোক
হুল- বিদ্রোহ
উলগুলান- উত্থাল পাথাল ঢেউ

 
Untitled Document
Total Visitor : 709008
সাপলুডু মূলপাতা | মতামত Contact : shapludu@gmail.com
Copyright © Life Bangladesh Developed and Maintained By : Life Yard