Untitled Document
আশ্বিন সংখ্যা ১৪১৮
মূলপাতা শিরোনাম বটতলা পঞ্জিকা প্রদর্শনী
রাস্তা চিন্তা ৩
- এ,এফ,এম, “শিপু” মনিরুজ্জামান




রাস্তা পরিবেশ সুন্দর রাখতে হলে যে বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে পালন করা প্রয়োজন তার মধ্য কিছু বিষয়কে উল্লেখযোগ্য হিসাবে চিহ্নিত করতে পারি। যেমনঃ শুল্ক পরিষোধ করা, শব্দ না করা, ওভারটেক না করা, যেখানে সেখানে পার্কিং না করা, সঠিক ভাবে রাস্তা পার হওয়া,যানবাহনের যত্ন করা, ইত্যাদি ইত্যাদি। চলুন নীচে বিষয়গুলোকে নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

শুল্ক (ট্যাক্স, ভ্যাট ইত্যাদি)পরিষোধ করা
এই বিষয়টিকে রাস্তা পরিবেশ সুন্দর রাখার সাথে একেবারেই সম্পর্কহীন মনে হলেও হতে পারে কিন্তু এই বিষয়টিই আসলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
একটা দেশের রাস্তাঘাট বা জনগনের ব্যবহারের জন্য যেকোন কিছুই তৈরীর জন্য যে খরচ করা হয় তা আসে দেশবাসীর পরিশোধিত শুল্ক (ট্যাক্স) থেকে। অথচ আমরা অধিকাংশ মানুষই কোন রকম শুল্ক দেইনা। অনেক দিন যাবৎ আমাদের দেশের সরকার এ জাতিয় খরচের অধিকাংশই জোগাড় করে আসছে বাইরের কিছু দেশ থেকে (সাহায্য ও ঋণ সংগ্রহ হিসাবে)। কিন্তু মনে রাখবেন ওই সাহায্য বা ঋণ আজ হোক আর কাল হোক আমাদের কিন্তু একদিন পরিশোধ করতেই হবে। নচেৎ সাহায্যের বদৌলতে তারা নিয়ে যাবে আমাদের খনিজ বা অন্য যেকোন মূল্যবানসম্পদ। আমাদের আসলে মোটেই উচিৎ হচ্ছেনা বিদেশের ঐ সাহায্যগুলো নেয়া। ঐ সাহায্য যেমন একদিকে দেশের উন্নতির পিছনে খরচ না করে একদল মানুষ তা লুটেপুটে খাচ্ছে অন্যদিকে আমাদেরকে বিদেশের কাছে ঋণীও করে দিচ্ছে। ফলাফল একদিকে আমরা যেমন বঞ্চিত হচ্ছি দেশের উন্নতি থেকে অন্যদিকে আবার বিদেশের কাছে ঋণীও হয়ে যাচ্ছি। আমাদের উচিৎ যার যার আয় এবং সম্পত্তির উপর ভিত্তি করে শুল্ক পরিষোধ করে দেশের উন্নয়নে সহযোগীতা করা। যা থেকে সুন্দর পরিবেশ বজায় রেখে সুন্দর ভাবে চলাচল করার জন্য তৈরী হবে যৌক্তিক সব রাস্তা। থাকবে না দমবন্ধ করা জ্যাম, থাকবে না কাণ ফাটানো গাড়ীর হর্ণ।
শব্দ না করা
জাপানের প্রথম রাত্রের একটি অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে না বললেই নয়। দেশে ফোন করার জন্য হোস্টেল থেকে বেরিয়ে পার্কের দিকে যাচ্ছিলাম কয়েনবক্স থেকে ফোন করব বলে। আবাসিক এলাকা বলে রাস্তাটি ছিল নির্জ্জন এবং সরু সরু। কাণে ওয়াকম্যান লাগিয়ে আনমনে হাটতে হাটতে কখন যে রাস্তার মাঝখান দিয়ে চলতে শুরু করেছিলাম খেয়াল ছিলনা। হঠাৎ মনে হল আমার পিছনে পিছনে কেউ বোধহয় আমাকে ফলো করছে। তাকাতেই চমকে উঠলাম। একটা গাড়ী নিঃশব্দে, আস্তে আস্তে আমার পিছন পিছন আসছিল। আমি সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার ধারে সরে দাড়ালাম। গাড়ীটা আস্তে করে ছোট্ট একটা হর্ণ দিয়ে চলে গেল। গাড়ীতে বসা ভদ্রলোক এবং তাঁর (সম্ভবত) বৌ-বাচ্চারা  আমার দিকে তাকিয়ে মাথাটা একটু নীচের দিকে ঝুকিয়ে (বোউ করে) নরম হাসি দিয়ে আমাকে সম্মান দেখিয়ে চলে গেলেন। আমি কিছুক্ষণ থ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম। পরে দেশে ফোন করার সময় জাপানের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বলেছিলাম, “বাংলাদেশে গাড়ীর হর্ণ বাজানো হয় সামনের কিছুকে সরে যেতে বলার জন্য আর জাপানে হর্ণ বাজানো হয় শুধুমাত্র ধন্যবাদ দেয়ার জন্য”।
অথচ আমাদের দেশে যে গাড়ীগুলো চলাচল করে তার অধিকাংশই কিন্তু জাপান থেকে আসা। কিন্তু এর প্রকৃত ব্যবহার আমরা এখনো জানিনা। ঢাকার রাস্তাতে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হচ্ছে যানবাহনের শব্দ। বিশেষ করে মোটরসাইকেলের হর্ণের শব্দ। এই হর্ণ এবং ইঞ্জিনের অন্যান্য শদের কারণে প্রতিদিন বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। অসুস্থ হয়ে পড়ছেন শারীরিক এবং মানসিক দুভাবেই। প্রতিনিয়ত আমরা দেখছি  এই শব্দের কারণে বিরক্ত হয়ে রাস্তায় মানুষ মানুষের সাথে ঝগড়া করছে, কখনো কখনো মারামারিও করছে। সবাইকে অনেক জোরে জোরে কথা বলতে হচ্ছে এবং এর কারণে তার উত্তেজনা অতিরিক্ত বেড়ে যাচ্ছে। ফলাফল এবং প্রভাব হিসাবে দেখা যাচ্ছে সে তার বন্ধুর সাথে ফোণে ঝগড়া করছে, কর্মক্ষেত্রে গিয়ে অশালীন আচরণ করছে এবং কর্মে মনযোগ দিতে পারছেনা, ঘরে এসে নিকটাত্মিয়ের সাথে কলহে জড়িয়ে পড়ছে এবং একসময় ক্লান্ত হয়ে নির্জিব হয়ে পড়ছে। ভুগছে হতাশায়।
কথা আসতে পারে যে, হর্ণ না বাজালে গাড়ী চালানো সম্ভব হবেনা, এক্সিডেন্ট হবে, ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু আসলে মোটেই তা হবার নয়। ইউরোপ/আমেরিকা/জাপান এসব দেশগুলোতে কিন্তু হর্ণ না দিয়েই গাড়ী চালায়।
সামনের গাড়ী যদি ডানে/বায়ে টার্ণ নেবার আগে সিগন্যাল দেয় এবং পিছনের গাড়ী যদি সবসময় সামনের গাড়ী থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখে তা’হলে পিছনের গাড়ীকে হর্ণ দিয়ে সামনের গাড়ীকে সতর্ক করবার কোন প্রয়োজনই হবেনা। আর হর্ণ জাতিয় শব্দ না থাকলে মানুষের চিৎকার চেচামেচিও থেমে যাবে। জনজীবন হবে শান্তিময়।

ওভারটেক না করা
এখন আমরা আর ঘোড়ার পিঠে করে যাতায়াত করিনা। আমাদের এখনকার যানবাহন হচ্ছে সব যান্ত্রিক বস্তু। আর যান্ত্রিক বস্তুকে সবসময় জ্যামিতিক নিয়মেই পরিচালনা করতে হয়। নাহলে সৃষ্টি হয় ভীষন গোলযোগ । কেউ হয়ত বলবেন, “জ্যামিতিক নিয়মে চলে আমরা নিজেদেরকে যন্ত্রের অধিনস্ত করতে চাইনা, আমরা স্বাধীনিচ্ছামতই চলতে চাই”। আমি বলব কেউ যদি যন্ত্রকে যন্ত্রের মত করে চালনা করতে না চায় তাহলে বরং যন্ত্রিকযানবাহন চালনা থেকে বিরত থাকায় তার জন্য উত্তম। জাপান, ইউরোপ থেকে ওদের পুরানো যন্ত্রদানব গুলো যদি আমাদের দেশে নিয়ে আসতেই হয় তাহলে তার চালন-প্রনালীও ওদের মত হওয়া উচিৎ। আর তা’নাহলে নিজেদের যানাবাহন নিজেরাই নিজেদের মত করে তৈরী করে নেয়া উচিৎ। যেমন ছিল আমাদের দেশী নৌকাগুলো। সত্যিকথা বলতে কি ঢাকা শহরের অধিকাংশ মানুষই কিন্তু এই যান্ত্রিক যানবাহনগুলোকে কিভাবে চালাতে হয় সে সম্মন্ধে কিছুটা হলেও কমবেশী অবগত, অথচ তা স্বত্বেও যেভাবে সবাই গাড়ী চালান তা দেখে কখনো কখনো হাস্যকরও লাগে। আমার মত অগনিত এই মানুষেরা যদি সবাই প্রাপ্ত বয়ষ্ক না হয়ে শিশু (অথবা বানর) হত তা’হলেও কি রাস্তার এই চিত্র একই রকম হত কি’না তা নিয়েও ভাবনা হয়। আমরা হাতে একটা গাড়ী পেয়ে ইচ্ছেমত প্রয়োজন ছাড়াই হর্ণ বাজিয়ে যাচ্ছি, বাম অথবা ডান যেদিক দিয়ে যে যেভাবে পারছি ওভারটেক করছি; একটু ফাকা দেখলেই সেখানে ঢুকে যেতে চাচ্ছি, ফুটপাথের উপরে মটর সাইকেল উঠিয়ে দিচ্ছি…… কি করছিনে আমরা?
ওভারটেক করলে বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির জন্য বাধার সৃষ্টি হওয়ার ফলে যেমন দূর্ঘটনার সৃষ্টি হয় তেমন জ্যামেরও সৃষ্টি হয়। একসিডেন্টের প্রধাণ কারণ যেমন এই ওভারটেক আবার জ্যামেরও প্রধান কারণ কিন্তু এই ওভারটেক। হর্ণ বাজানোর প্রধান কারণও আবার এই একই ওভারটেক। অথচ এই ওভারটেককে আমরা বর্জ্জন করতে পারছিনা। এটা বর্জ্জন করতে হলে প্রয়োজন শুধু একটু ধৈর্য্য ও বন্ধুত্বসুলভ মানসিকতা। এক্ষত্রে কিছু সহজ ও ছোট্ট ছোট্ট নিয়ম মেনে চললেই যথেষ্ট।
যেমনঃ
কম গতির যানবাহনকে সবসময় বেশী গতির যানবাহন থেকে অপেক্ষাকৃত রাস্তার বাম দিক দিয়ে চালাতে হবে। এক্ষেত্রে রিক্সাকে রাস্তার একদম বাম দিক দিয়েই চলতে হবে। তবে রাস্তার মোড় গুলোতে সিগন্যালে দাড়ানোর সময় অবশ্যই রাস্তার বাম পাশ ছেড়ে দিতে হবে। কারণ সেখান দিয়ে বায়ে যাবার বাহনগুলি বের হয়ে যাবে।
চলার সময় সামনে যদি অপেক্ষাকৃত কম গতির যান থাকে এবং ওভারটেক করতেই হয়; তবে তাকে টপকাতে গিয়ে কখনই তাড়াহুড়া করা যাবেনা। প্রথমে ডান দিকে যাবার সিগন্যাল দিতে হবে, তারপর নিজের পিছনে কোন দ্রুতগতি সম্পন্ন যান আছে কি’না তা যাচাই করে এবং সর্ব্বপরি বিপরীত দিকের থেকে কোন যান আসছে কিনা সেটা পরখ করে নিয়ে তারপরেই শুধুমাত্র ওভারটেক করা যেতে পারে।
আমাদের চালকদের মধ্যে একটা প্রবনতা আছে সামনের গাড়ীর ঠিক পিছনে না থেকে একটু ডানে অথবা বায়ে থাকা। এটা খুবই ক্ষতিকর। সবসময় সামনের গাড়ী/রিক্সার ঠিক পিছনে পিছনে থেকে গাড়ী/রিক্সা চালাতে হবে এবং সামনের বাহন থেকে অবশ্যই একটা বিশেষ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে যাতে করে সামনের পরিবহনটি হঠাৎ ব্রেক করলেও নিজের সাথে ধাক্কা না লাগে।
আমাদের চালকদের হয়ত একটা ধারণা আছে যে, সামনের একটা গাড়ী অথবা রিক্সাকে টপকে একটু সামনে যেতে পারলেই গন্তব্যস্থলে অনেক তাড়াতাড়ি পৌঁছাতে পারবে কিন্তু ধারণাটি একেবারেই ভুল। কোন একটা বিশেষ দূরত্ব পর্যন্ত যদি কাউকে না টপকে যেতে লাগে ১ ঘন্টা তবে সামনের গাড়ী বা রিক্সাগুলোকে টপকে ঐ একই দুরত্বে হয়ত ৪৫ মিনিটে পৌঁছানো যেতে পারে কিন্তু সেজন্যে তাঁকে সহ্য করতে হবে অনেক মানসিক যন্ত্রনা অথবা তাঁকে মেনে নিতে হবে একটি বা কিছু মৃতুকে আর সর্ব্বপরি তিনি চিহ্নিত হবেন একজন নীচু শ্রেণীর মানুষ হিসাবে। সেটা কি ভালো হবে?

যেখানে সেখানে পার্কিং না করা
আজকাল রাস্তায় রিক্সা থেকে গাড়ী পার্কিং হয় অত্যন্ত বেশী এবং এরা কোথাও কোথাও রাস্তার অর্ধেকেরো বেশী জায়গা দখল করে থাকে। বিশেষ করে মেডিকেল সেন্টার এবং স্কুল গুলোর সামনে।
আমাদের এই ছোট্ট ছোট্ট রাস্তা; তার উপরে যদি যেখানে সেখানে যত্র তত্র গাড়ী/ রিক্সা ইত্যাদি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে তা’হলে তো স্বাভাবিক ভাবেই রাস্তায় চলাচল করা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনা। আমাদের দেশে এখনো গাড়ী পার্কিংয়ের ব্যবস্থা অত্যন্ত সীমিত এবং সেকারণে সবাই গাড়ী/রিক্সা ইত্যাদি রাস্তার উপরেই রাখেন। কিন্তু সেই রাখাটা অত্যন্ত বিবেক বিবেচনাহীন।
রাস্তার পাশে কোথাও নামতে হলে প্রথম অবস্থায় চিন্তা করতে হবে গাড়ীটা রাস্তার পাশে পার্ক না করার। ড্রাইভার থাকলে (আমাদের দেশের বেশীর ভাগ মানুষেই গাড়ী চালনার জন্য ড্রাইভার রাখেন) তাকে নামিয়ে দিয়ে চলে যেতে বলতে হবে এবং আবার সময়মত এসে তুলে নিয়ে যেতে বলতে হবে। যদি সেটা সম্ভব নাহয় তাহলে ড্রাইভারকে বলতে হবে এমন কোথাও পার্ক করতে যেখানে অন্য গাড়ী/রিক্সা চলাচলের বাধা না হয়।

সঠিক ভাবে রাস্তা পার হওয়া
সঠিকভাবে রাস্তা পার হওয়ার বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের শহরের মানুষদেরকে রাস্তার যেখান সেখান থেকে পার হতে দেখা যায়। এ অত্যন্ত দৃষ্টি কটু ও বিপজ্জনক। আমাদের অনেক বড় বড় রাস্তাতে এখন পার হওয়ার জন্য ব্রীজ তৈরী করা হয়েছে, কিন্তু অনেক প্রগতিশীল মানুষদেরকেও (যারা সরকারের বিভিন্ন ব্যর্থতাকে নিয়ে প্রতিবাদি কথা বলেন, তাদেরকেও) আমি দেখি তারা ব্রীজ দিয়ে পার না হয়ে রাস্তার মাঝখানের ডিভাইডারের লোহার দেয়াল টপকে অথবা মাথা নীচু করে গাড়ী থামিয়ে রাস্তা পার হবার চেষ্টা করেণ। একারণে রাস্তায় প্রায় দূর্ঘটনা হয় এবং মৃত্যু হয়।
সব সময় রাস্তা পার হতে জেব্রা ক্রসিং অথবা ব্রীজ দিয়ে। জেব্রা ক্রসিং দিয়েও আবার যখন তখন পার হওয়া একেবারেই যাবেনা। ঠিক যখন সিগন্যাল পড়বে শুধুমাত্র তখনই পার হতে হবে। সিগন্যাল পড়েনি, একের পর এক গাড়ী আসছে আর কেউ হাত দেখিয়ে দেখিয়ে গাড়ী থামিয়ে থামিয়ে পার হবার চেষ্টা করছে এটা একেবারেই বন্ধ করতে হবে।

যানবাহনের যত্ন করা
যানবাহনের যত্ন নেয়া আর না নেয়ার উপরেই কিন্তু নির্ভর করে আপনি সেটা চালনার ব্যাপারে কতটা যত্নশীল অথবা যত্নশীল নন। আমি একজন রিক্সা্চালককে চিনি, যিনি প্রতিদিন বিকালে বের হওয়ার আগে দেড় থেকে দুইঘন্টা সময় দেন তার রিক্সার যত্নের জন্য। কখনো কখনো যদি বিশেষ সমস্যা দেখা দেয় তাহলে তিনি তিনঘন্টা বা আরো বেশী সময় নেন। সেই রিক্সাচালকের রিক্সাতে চড়তে সত্যিই ভালো লাগে। তিনি তার রিক্সার ব্রেকের শক্তিকে এবং রাস্তার অবস্থা এবং আসে পাশের গাড়ীর অবস্থা বুঝে এমন নিপুনভাবে তার রিক্সা চালান যে, তার রিক্সাতে চড়ে বেশ শান্তি লাগে।
আপনি যদি আপনার গাড়ীর যত্নই না করেন তা’হলে আপনি কিভাবে বুঝবেন আপনার গাড়ীর আজকের শয়ারিরীক অবস্থা কি? আপনি কিভাবে বুঝবেন আপনার গাড়ীকে কোন রাস্তায় কত গতিতে চালাতে হবে? আপনি কিভাবে বুঝবেন আপানার গাড়ীকে অন্য গাড়ী থেকে রক্ষা করে চালনা করতে হলে কিভাবে তাকে চালাতে হবে? আপনি যদি আপনার গাড়ীকে যত্ন না করেন আপনি কখনই বুঝবেন না যে, রাস্তায় অযথা হর্ণ দিলে তাতে করে আপনার গাড়ী এবং আপনার দু’জনেরই সম্মানহানি হয় এবং আপনি কখনই বুঝবেননা যে, রাস্তা দিয়ে এলোমেলো গাড়ী চালালে ও ইছামত ওভারটেক করলে আপনার ও আপনার গাড়ীর জীবন ছোট হয়ে আসতে থাকে। 

চলবে…
     
Untitled Document
প্রদর্শনী

হরে রাম

video video
Copyright © Life Bangladesh
সাপলুডু মূলপাতা | মতামত Contact : shapludu@gmail.com