Untitled Document
কার্তিক সংখ্যা ১৪১৮
মূলপাতা শিরোনাম বটতলা পঞ্জিকা প্রদর্শনী
তিন পাপড়ির ফুল
ছোটবেলা এই ঘাসফুলগুলো দেখেছি বলে মনে পড়ে না। হতে পারে এগুলো পরে এসেছে। শুনেছি অন্য দেশ থেকে নতুন নতুন প্রজাতির গাছ যখন আমদানি করা হয় তখন চুপিসাড়ে অনেক আগাছাও ঢুকে পড়ে। হয়ত যে প্রজাতিটি আনা হচ্ছে তার সঙ্গেই মাটির ভেতরে লুকিয়ে থাকে আগাছার বীজ কিংবা ছোট্ট অঙ্কুর। তারপর জলহাওয়া পছন্দ হলে বীজ অঙ্কুরিত হয় কিংবা আগাছার অঙ্কুরটি তরতর করে বেড়ে ওঠে।

আগাছা কথাটা অনেক বৃক্ষপ্রেমীর পছন্দ নয়। শব্দটা উদ্ভিদজগতে শ্রেণীবিভেদ ঘটায়। মানুষের খাওয়া-পরা, বিলাস-ব্যাসনে যোগায় যে উদ্ভিদ তা গাছ আর বাকিরা আগাছা। কোনো আগাছার যখন পণ্যমূল্য তৈরী হয় তখন আবার সে জাতে ওঠে। এই শ্রেণীবিভেদ ঘটাতে গিয়ে প্রকৃতির কত সৃষ্টি আমরা গলা টিপে মেরেছি। আগাছা নির্মূলের জন্য তৈরী করেছি বিশেষ ওষুধ - আগাছানাশক বা উইডিসাইড। গাছখুনীও বলা যেতে পারে তাকে, না?

যাক সে কথা। আমার তো কারবার আগাছা নিয়েই। যা বলছিলাম, এ সংখ্যায় যে ফুলটা দিচ্ছি তা বছর কয়েক হলো বিভিন্ন এলাকায় ঝোপেঝাড়ে দেখতে পাচ্ছি। ছাই মেশানো হালকা বেগনি। পাপড়ি এত পাতলা যে শিরা-উপশিরা দেখা যায় - সদ্যোজাত বাচ্চাদের যেমন। পাপড়িগুলোর নীচে আছে তিনটি - ওগুলো মনে হয় উপবৃতিই হবে। সেগুলো আবার স্বচ্ছ বেগনি। দল আর উপবৃতি এমনভাবে সাজানো যেন একটি আরেকটিকে ঢেকে না দেয়। ধরিত্রীওয়ালার আর কিছু না থাক, সৌকর্য্যবোধ প্রবল আর সেটার যেন বিরাট প্রকাশ মূকজগতেই।
 

ছবি ও লেখা: প্রিসিলা রাজ



          আলোকচিত্রী : প্রিসিলা রাজ

          আলোকচিত্রী : প্রিসিলা রাজ

          আলোকচিত্রী : প্রিসিলা রাজ
 
 
Untitled Document

তিন পাপড়ির ফুল
প্রদর্শনী

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফটো ক্লাব
Copyright © Life Bangladesh
সাপলুডু মূলপাতা | মতামত Contact : shapludu@gmail.com